সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য । যিনি আমাদেরকে তাঁর ইবাদত করার তাওফিক দান করেছেন এবং সর্বদা ইবাদতের উপর থাকার জন্য উৎসাহ দিয়েছেন ।
আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে মহানবী সাঃ আল্লাহর বান্দা ও রসুল । অনন্ত রহমত ও বরকত নাজিল হোক তাঁর উপর এবং সমগ্র মুসলিম জাতির উপর ।
পরহেজগার বান্দারা জান্নাতে ও প্রসবণে থাকবে । আল্লাহ তাদেরকে যাই দেবেন তাই তারা গ্রহণ করবে । ইতিপূর্বে তারা সৎ ও ন্যায়পরায়ণ ছিলেন । তারা রাত্রে খুব কম সময় ঘুমাতেন এবং শেষ রাতে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতেন । তাদের ধন সম্পদে ভিক্ষুক ও বণ্চিতদের প্রাপ্য ছিলো ।”
বলেছেন মহান আল্লাহপাক ।
সূরা আয যারিয়াত ১৫-১৯
পুরো মাহে রমজান রহমত বরকত ও কল্যাণের মাস ।
মাহে রমজানের ১ম রাত থেকে শুরু করে শেষ রাতটি পর্যন্ত জাহান্নাম থেকে বান্দাকে মুক্তি দেয়া হয় ।
বলেছেন বিশ্বনবী সাঃ ।
সুনানে ইবনে মাজাহ ১৬৪২
আল্লাহ বলেন “ যাকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করা হয় এবং জান্নাতে প্রবিষ্ট করা হয় সেই সফলকাম ।”
সূরা আল ইমরান ১৮৫
মহানবী সাঃ বলেছেন “ যার শেষ ভালো তার সব ভালো ।”
ছহীহুল বোখারি ৬৬১৫
তিনি আরো বলেন “ শেষ রাতে শবে ক্বদর অনুসন্ধান করো ।”
ছহীহ ইবনে খোজাইমা ২১৮৯
সুতরাং এখনো সময় আছে । আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করুন । সবকিছুর জন্য দোয়া করুন । রাত জেগে ইবাদতে বসে পড়ুন ।
মহানবী সাঃ বলেছেন “ হে আল্লাহর বান্দা ! সেই ব্যক্তির মতো হয়োনা, যে ব্যক্তি তাহাজ্জুদ পড়ার পর পরবর্তী সময়ে তাহাজ্জুদ ছেড়ে দেয় ।”
ছহীহুল বোখারি
ছহীহ মুসলিম
প্রিয় নবীজী সাঃ বলেছেন “ যে ব্যক্তি একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে একদিন রোজা রাখবে তার সমাপ্তি হবে জান্নাতে প্রবেশের মধ্য দিয়েই ।”
মুসনাদে আহমাদ ২৩৩২৪
আল্লাহকে স্মরণ করার মধ্যেই হৃদয়ের প্রশান্তি ।”
সূরা আর রা’দ ২৮
তোমরা যা কিছুই ( আল্লাহর পথে ) ব্যয় করোনা কেন তা’ তোমাদের পিছু পিছু অনুসরণ করবে । অর্থাৎ প্রতিদান লাভ করবে । তিনি হলেন সর্বোত্তম রিজিকদাতা ।”
সূরা সাবা ৩৯
হে নবী সাঃ ! আপনার রবের তাসবীহ পাঠ করুন রাত্রিকালে এবং দিনের প্রান্ত সমূহে । যাতে করে আপনি Comfortable feel করেন ।
সূরা ত্বহা ১৩০
এক প্রশ্নের জবাবে মা আয়েশা রাঃ বলেন “ মহানবী সাঃ’র যে কোন আমল ছিলো সদা সর্বদা ।”
ছহীহুল বোখারি
ছহীহ মুসলিম
*** মহানবী সাঃ বলেছেন “ আল্লাহর কাছে সর্বাধিক প্রিয় ইবাদত হলো যা’ নিয়মিত করা হয় । পরিমাণে কম হোক তবুও ।”
ছহীহ মুসলিম ৭৮২
মহানবী সাঃ বলেছেন “ ফিৎরা প্রদান রোজাদারের অযথা কথাবার্তা ও অশ্লীলতা থেকে মুক্ত করে এবং এটা মিসকিনদের জন্য খাবার ।”
সুনানে আবু দাউদ ১৬০৯
সংযুক্ত আরব আমিরাত ফতওয়া বোর্ড আড়াই কেজি চাউল ফিতরা নির্ধারণ করেছেন । যার বাজারমূল্য ২৫ দিরহাম । ঈদের নামাজের জন্য বের হওয়ার মূহুর্তে ফিতরা আদায় করা সুন্নত । তার ২/১ দিন আগে থেকে প্রদান করা জায়েজ । সুতরাং আজ থেকে আপনারা ফিৎরা আদায় করে দিতে পারবেন ।
ঈদের দিন মসজিদে বা ঈদগাহে তাকবীর পাঠ করবেন । আর তা’ হলো আল্লাহু আকবারুল্লাহু আকবার । লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার । ওয়া লিল্লাহিল হাম্দ ।”
যাতে করে তোমরা সংখ্যা পূর্ণ করো এবং হেদায়েত লাভ করার উপর আল্লাহর বড়ত্ব প্রকাশ করো । হয়ত তোমরা কৃতজ্ঞ হবে ।”
ইয়া আল্লাহ ! আমাদের নামাজ রোজা কবুল করুন । সব ভুল ত্রুটি মাফ করুন । শবে ক্বদর নসীব করুন । ইহ ও পরকালে কল্যাণ দান করুন ।
আমাদের মা বাবাদেরকে ক্ষমতাকে দিন । তাদেরকে জান্নাতুল ফিরদাউস দান করুন । আমিন ।
Discussion about this post